মাসে ৩০ হাজার টাকা আয় করার - ২৫টি সেরা সহজ টিপস

মাসে ৩০ হাজার টাকা আয় করার ২৫ টি সেরা সহজ টিপস, আপনি কি মাসে ৩০০০০ টাকা আয় কিভাবে করা যায় তা সম্পর্কে জানতে চাচ্ছেন ? তাহলে এই আর্টিকেলটি আপনার জন্য। এই আর্টিকেল থেকে কিভাবে আপনি ঘরে বসে খুব সহজে মাসে ৩০০০০ টাকার অধিক ইনকাম করতে পারবেন তা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবেন।

মাসে-৩০-হাজার-টাকা-আয়-করার

আপনি ঘরে বসেই কোন ডিপোজিট ছাড়া কিভাবে মাসে ৩০০০০ টাকা ইনকাম করতে পারবেন তা সম্পর্কে বিস্তারিত এই আর্টিকেলে দেওয়া আছে। এবং আপনি এই আর্টিকেলটি পড়ে কিভাবে মাসে ৩০০০০ হাজার টাকা ইনকাম করা যায় তা সম্পর্কে সঠিক তথ্য পাবেন। তাই আর্টিকেলটি সম্পূর্ণ মনোযোগ দিয়ে পড়ুন।

পোস্ট সূচীপত্রঃ মাসে ৩০ হাজার টাকা আয় করার ২৫টি সেরা সহজ টিপস

মাসে ৩০ হাজার টাকা আয় করার-২৫টি সেরা সহজ টিপস

মাসে ৩০ হাজার টাকা আয় করার ২৫ টি সেরা সহজ টিপস, আমরা অনেকেই আছি যারা ঘরে বসে কিভাবে মাসে ৩০ হাজার টাকা আয় করা যায় তার সম্পর্কে জানতে চাই। অনেকেই আছে যারা স্টুডেন্ট বা বেকারত্ব ভাবে জীবন যাপন করছেন। এবং মাসে 30 হাজার টাকা কিভাবে আয় করা যায় তা সম্পর্কে জানতে চান। বর্তমানে অনেক লোকজন আছে যারা দিনের বেশ কিছু সময়টা অনলাইন এর মাধ্যমে জীবন অতিবাহী করে। কিন্তু সে অনলাইনের সময়টা আমরা বিনোদন হিসেবে ব্যবহার করি। অনেকের হয়তো জেনে থাকবেন যে এই অনলাইনের মাধ্যমে মাসে ৩০ হাজার টাকার অধিক ইনকাম করা যায়।
আমরা এই অনলাইনের মাধ্যমে বেশ কিছু উপায়ে খুব সহজেই ইনকাম করতে পারি।
আবার যেমন অনলাইনের মাধ্যমে খুব সহজেই ঘরে বসে ইনকাম করা যায়, তেমনি অফলাইনের মাধ্যমেও বাসা থেকে বিভিন্ন উপায়ে মাসে ত্রিশ হাজার টাকার অধিক ইনকাম করা যায়। অফলাইন কিংবা অনলাইন এই দুই মাধ্যম থেকে বিভিন্ন উপায়ে কিভাবে মাসে ৩০ হাজার টাকার অধিক ইনকাম করতে পারি। এই কাজগুলো করার জন্য আমাদের প্রয়োজন কিছু দক্ষতা ও সময় এবং ধৈর্য। এই তিনটি জন্য যদি আমাদের মধ্যে থেকে থাকে তাহলে আমরা অনায়াসে নিচের বিভিন্ন অফলাইন অনলাইনের উপায় গুলোর মাধ্যমে খুব সহজেই মাসে ৩০০০০ টাকার অধিক ইনকাম করতে সক্ষম হব। তাই আসুন নিচের আর্টিকেলটি থেকে কিভাবে মাসে ৩০০০০ টাকা ইনকাম করার ২৫ টি সেরা টিপস সম্পর্কে জেনে নিই।

ফ্রিল্যান্সিং করে মাসে ৩০ হাজার টাকা আয় করার উপায়

মাসে ৩০০০০ টাকা আয় করার উপায় সম্পর্কে জানার জন্য আমাদের সর্বপ্রথম খুব সহজে আয় করার উপায় হিসেবে মাথায় আসে ফ্রিল্যান্সিং। ফ্রিল্যান্সিং সম্পর্কে অনেকেরই বেশ ধারণা রয়েছে। ফ্রিল্যান্সিং করার জন্য আপনার ল্যাপটপ বা পিসি না থাকলেও হবে । আপনার হাতের স্মার্টফোন দিয়েই ফ্রিল্যান্সিং কাজ করতে পারেন। তবে আমরা অনেকেই জানিনা যে কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং করে মাসে ৩০০০০ টাকা অধিক আয় করা যায়। ফ্রিল্যান্সিং হল বেকারত্বদের জন্য আয় করা বড় সুযোগ। আমাদের দেশে প্রায় বেকারত্ব সংখ্যা অনেক। তার ফ্রিল্যান্সিং এর মাধ্যমে অনেক বেকারত্ব মানুষ ঘরে বসেই খুব সহজেই আয় করতে পারে। ফ্রিল্যান্সিং এর মাধ্যমে অনেক স্টুডেন্ট ও বিভিন্ন চাকরিজীবী মানুষ প্ল্যাটফর্ম এ অবসর টাইম কাজে লাগিয়ে পার্টটাইম জব করে থাকে। ফ্রিল্যান্সিং প্লাটফর্ম গুলো দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে টাকা ইনকামের জন্য। ফ্রিল্যান্সিং এর মাধ্যমে অনেক বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার ইনকাম করছে বর্তমানে প্রজন্ম।
যেমন রোজগারের জন্য ফ্রিল্যান্সিং ব্যবস্থা দিন দিন বাড়ছে, তেমনি ফিনল্যান্সারের সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফ্রিল্যান্সিং এর মধ্যে বিভিন্ন কাজ রয়েছে যেমন
  • web development,
  • ওয়েব ডিজাইন,
  • গ্রাফিক্স ডিজাইন,
  • ব্লগিং,
  • ডাটা এন্ট্রি,
  • ডাটা মাইনিং
  • ডাটা এনালাইসি
  • ফটো এডিটিং,
  • ভিডিও এডিটিং
  • লোগো ডিজাইন ইত্তাদি।

আরো পড়ুনঃকিভাবে ফ্রি টাকা ইনকাম করা যায়

এই সকল প্লাটফর্মে কাজ করে আপনি খুব সহজেই মাসে ৩০ হাজার টাকায় অধিক ইনকাম করতে পারেন। ফ্রিল্যান্সিং করার জন্য আপনার কিছু দক্ষতা প্রয়োজন। ফ্রিল্যান্সিং করার জন্য ইউটিউবে বিভিন্ন ফ্রিল্যান্সিং ভিডিও দেখার মাধ্যমে আপনি ফ্রিল্যান্সিং শিখতে পারেন। আবার অনেক অনলাইন এ ফ্রি ক্লাস করানো হয় সেই ক্লাস এর মাধ্যমেও ফ্রিল্যান্সিং করতে পারেন। অথবা ফ্রিল্যান্সিং ট্রেনিং সেন্টারে গিয়েও কোর্স শিখতে পারেন। তারপর আপনার দক্ষকে কাজে লাগিয়ে পরিশ্রম করে আপনি মাসে ৩০০০০ থেকে ৪০ হাজারের বেশি ইনকাম করতে পারেন।

কন্টেন্ট রাইটিং করে মাসে ৩০ হাজার টাকা আয়

মাসে ৩০ হাজার টাকা আয় করার খুব সহজ উপায় হলো কন্টেন্ট রাইটিং। অনলাইন জগতে টাকা ইনকামের খুব সহজ প্ল্যাটফর্ম হল কন্টেন্ট রাইটিং। আপনি কন্টেন্ট রাইটিং করে খুব সহজে মাসে ৩০০০০ টাকার অধিক আয় করতে পারেন। আর কন্টেন্ট রাইটিং এর জন্য আপনার পিসি বা ল্যাপটপ লাগবে। কন্টেন্ট রাইটিং কি? কনটেন্ট রাইটিং হল ওয়েবসাইটে লেখালেখি। আপনি আপনার নিজস্ব ওয়েবসাইট বানিয়ে সেখানে প্রতিদিন আর্টিকেল লিখে পোস্ট করে মাসে ৩০ হাজার টাকা আয় করতে পারেন। আবার কন্টেন্ট রাইটিং এর অন্য সুবিধা রয়েছে যেমন আপনি আপনার কন্টেন্ট অন্যের কাছে বিক্রি করতে পারেন। আপনার কনটেন্ট এর লেখা যত বেশি সুন্দর ও গচ্ছিত হবে আপনার লেখালেখির কন্টেন্ট অন্য কেউ বেশি টাকায় কিনবে। এক একটি কনটেন্ট প্রায় ১০০০ থেকে ১৫০০ টাকা হতে পারে, এভাবে মাসে ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকা আয় করতে পারেন।
অনুরূপভাবে আপনার কন্টেন্ট রাইটিং যত বেশি সুন্দর গচ্ছিত হবে এবং কন্টেন্টের মধ্যে google অন্যের চাইতে ভালো কিছু ইনফরমেশন পেলে আপনার ওয়েবসাইট তাড়াতাড়ি রেংকিং এ যাবে। আর গুগল আপনার ওয়েবসাইটে বিভিন্ন এড দিবে যার মাধ্যমে আপনি ঘরে বসে ৩০০০০ এরও বেশি প্রায় ৭০ হাজার টাকার অধিক আয় করতে সম্ভব হবে। আবার আপনি বিভিন্ন ওয়েবসাইট নিজে তৈরি করেও বিক্রি করতে পারেন। আর্টিকেলে লেখালেখির জন্য আপনাকে কনটেন্ট রাইটিং কোর্স শিখতে হবে। আপনি কন্টেন্ট রাইটিং বিভিন্ন ট্রেনিং সেন্টার গুলোতে বা ফ্রি ক্লাস ভিডিও মাধ্যমে কনটেন্ট রাইটিং কোর্স শিখতে পারেন।

ডাটা এন্ট্রি করে মাসে ৩০ হাজার টাকা আয়(৩-৪)

মাসে ৩০ হাজার টাকা আয় করার সহজ উপায় হলো ডাটা এন্ট্রি। অনলাইন জগতে খুব সহজেই মাসে ৩০০০০ টাকার অধিক ইনকাম করা যায় ডাটা এন্ট্রি করে। ডাটা এন্ট্রি মাধ্যমে আপনাকে ফ্রিল্যান্সিং প্ল্যাটফর্ম গুলোতে বিভিন্ন কাজ সংগ্রহ করতে হবে। যার মাধ্যমে আপনি মাসে ৩০ হাজার টাকা ইনকাম করতে পারেন। এই কাজের জন্য আপনার দক্ষ এবং ধৈর্য দরকার হবে। এই কাজের মাধ্যমে আপনি প্রতিদিন ৮০০ থেকে ১২০০ টাকা আয় করতে পারেন। যা প্রতি মাসে ৩০ হাজারও বেশি হবে।

সোশ্যাল মিডিয়া সাপোর্ট কাজ করে মাসে ৩০ হাজার টাকা আয়, সোশ্যাল মিডিয়া সাপোর্ট কাজ এর জন্য আপনার বেশি দক্ষতার প্রয়োজন নেই। আপনার অল্প কিছু স্কিল জানা থাকলে সোশ্যাল মিডিয়া সাপোর্ট কাজের মাধ্যমে মাসে ৩০ হাজার টাকা ইনকাম করতে পারেন। সোশ্যাল মিডিয়া সাপোর্ট কাজ যেমন;
  • কমেন্ট রিপ্লাই
  • পোস্ট সিডিউল
  • ইনবক্স ম্যানেজমেন্ট ইত্যাদি।

ইউটিউব থেকে মাসে ৩০ হাজার টাকা আয়

মাসে ৩০০০০ টাকা আয় করার আরেকটি সহজ মাধ্যম হলো ইউটিউব। বর্তমানে ইউটিউবের ব্যবহার অনেক। কারণ প্রায় অধিকাংশ মানুষই ইউটিউবে প্রতিনিয়ত যায়। বিভিন্ন শিক্ষানীয় ও নৈতিকতার ভিডিও এবং বিনোদনমূলক ভিডিও দেখার জন্য youtube এ বেশি সংখ্যক মানুষ ঢোকে। তাই  ইউটিউব থেকে মাসে ৩০ হাজার টাকা আয় করা সম্ভব।
প্রথমে youtube এ একটি আপনার নিজস্ব জিমেল বা ইমেইল দিয়ে একাউন্ট খুলতে হবে। এবং সেখানে প্রতিনিয়ত ভিডিও আপলোড দিতে হবে। এবং অবশ্যই খেয়াল করবেন যেন ভিডিওগুলো শিক্ষণীয় নৈতিকতা ও কিছু বিনোদনমূলক ভিডিও হয়। যেগুলোর প্রতি মানুষ আকৃষ্ট হয়ে ভিডিওগুলো দেখবে ভিডিওর মধ্যে সেই সব জিনিসগুলো বিদ্যমান রাখতে হবে। তাহলে আপনার youtube এ ভিউয়ার্স বেশি হবে এবং সাবস্ক্রাইবার বাড়বে। আর ইউটিউবের শর্তগুলো পূরণ হয়ে গেলেই আপনি প্রতি মাসে প্রায় ৩০ হাজারেরও বেশি ইনকাম করতে পারবেন।

ফেসবুক থেকে মাসে ৩০ হাজার টাকা আয় 

মাসে ৩০০০০ টাকা আয় করার একটি সহজ প্ল্যাটফর্ম হল ফেসবুক। facebook যা প্রতিনিয়ত মানুষের কাজে বা বিনোদনের জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে। অধিকাংশ মানুষই ফেসবুকে সাথে জড়িত। তাই এখন ফেসবুকের মাধ্যমে ঘরে বসেই ডিজিটাল মার্কেটিং এর কাজ শিখের মাসের ৩০ হাজারের অধিক টাকা আয় করা সহজেই সম্ভব হয়। প্রথমে একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট আপনার জিমেইল বা ইমেল দিয়ে খুলুন। এবং সেখানে প্রতিনিয়ত ভিডিও আপলোড দিতে থাকুন। ভিডিও আপলোডের সময় অবশ্যই মনে রাখতে হবে যে যে ভিডিওগুলো আপনি আপলোড দিচ্ছেন সেগুলো যেন শিক্ষানীয় ও বিনোদনমূলক ভিডিও হয়। সাধারণত অনেক মানুষই আসে ফেসবুকে বিনোদনের জন্য। আবার অনেক জন এই ফেসবুক থেকে বিভিন্ন শিক্ষানীয় ভিডিও দেখে থাকে।
তাই আমাদের ফেসবুকের ভিডিওগুলো যত শিক্ষনীয় ও বিনোদনমূলক হবে তত ভিউয়ার বৃদ্ধি পাবে। আর ভিউয়ার্স বৃদ্ধি পেলে আপনার ফলোয়ার্স ও বেশি বেশি হতে থাকবে। ফেসবুকে ফলোয়ার্সের সংখ্যা যদি ১০০০ এর অধিক হয় এবং সাথে ভিউয়ার্স বেশি থাকে তাহলে আপনার ফেসবুকের মনিটাইজেশন তাড়াতাড়ি অন হয়ে যাবে। ফেসবুকের কিছু শর্ত আছে সেই শর্তের মধ্যেই সাধারণত এইসব থাকে। এবং আপনার সকল শর্ত পূরণ হয়ে গেলেই আপনি ঘরে বসেই ৩০ হাজার টাকা আয় করতে পারবেন। আবার বিভিন্ন কোম্পানির বিজ্ঞাপন অ্যাডের দেখানোর মাধ্যমেও আপনার ইনকাম বৃদ্ধি পাবে। তাই বলা যায় মাসে ৩০ হাজার টাকা ইনকাম করার জন্য ফেসবুক হল একটি বড় প্ল্যাটফর্ম।

অ্যাফিলিয়েন্ট মার্কেটিং থেকে মাসে ৩০ হাজার টাকা আয়

মাসে ৩০ হাজার টাকা আয় করার আরেকটি সহজ পথ হল অ্যাফিলিয়েন্ট মার্কেটিং। আপনি ঘরে বসেই অ্যাফিলিয়েন্ট মার্কেটিং করে মাসে ৩০ হাজারের অধিক টাকা ইনকাম করতে পারেন। অ্যাফিলেন্ট মার্কেটিং কি ? অ্যাফিলিয়েন্ট মার্কেটিং এর কাজ হল অন্য কারো কোম্পানির প্রোডাক্ট সেল করে দেওয়াকে অ্যাফিলিয়েন্ট মার্কেটিং বলা হয়। কোন এক কোম্পানির প্রোডাক্ট আপনি আপনার ওয়েবসাইট বা বিভিন্ন মার্কেটপ্লেস এর মাধ্যমে সেই প্রোডাক্টগুলো বিক্রি করছেন। এবং আপনার ওয়েবসাইট বা বিভিন্ন মার্কেটপ্লেস গুলো থেকে সেই প্রোডাক্টগুলো যত বেশি সেল হবে আপনাকে সেই কোম্পানির প্রোডাক্ট এর মালিক সেগুলোর জন্য প্রায় ১০% কমিশন দিবে।
আপনি যে মার্কেটপ্লেস গুলো থেকে পণ্যগুলো বিক্রি করার জন্য অ্যাড দেখাবেন সেই প্লেসগুলোতে পণ্যের লিংকিং করবেন। তাহলে বুঝতে সুবিধা হবে আপনার ভিডিও দেখে কয়জন ওই লিংকে গিয়ে ক্রয় করছে। যেমন facebook, youtub, ব্লগ ওয়েবসাইট এ সে পণ্যগুলোর এড দেখানোর পাশাপাশি ডিসক্রিপশনে সেই পণ্যের লিংক অবশ্যই দিবেন। আপনার ভিডিও দেখে যত বেশি সেল হবে তত আপনি কমিশন পাবেন। এপিলেন্ট মার্কেটিং থেকে আপনি প্রতিমাসে ৩০ হাজার টাকা খুব সহজেই আয় করতে পারেন ঘরে বসে। আর এই জন্য আপনার কোন ডিপোজিট এর প্রয়োজন হয় না।, আপনি ল্যাপটপ, পিসি বা স্মার্ট মোবাইল ফোন দিয়ে এপ্রিলের মার্কেটিং করতে পারেন।

ডিজিটাল মার্কেটিং থেকে মাসে ৩০ হাজার টাকা আয়(৭-১১)

বর্তমান বিশ্বের ডিজিটাল মার্কেটিং এর অবদান অনেক। বর্তমানে ডিজিটাল মার্কেটিং শিখে মানুষ মাসে লাখ টাকা আয় করে থাকে। সহজ কথায় ডিজিটাল মার্কেটিং হচ্ছে টাকা রোজগারের একটি বড় প্ল্যাটফর্ম। ডিজিটাল মার্কেটিং শিখে এখন ঘরে বসেই মানুষ লক্ষাধিক টাকা আয় করতে সক্ষম হচ্ছে। ডিজিটাল মার্কেটিং এই প্লাটফর্মটি অনেক বড় প্ল্যাটফর্ম। ডিজিটাল মার্কেটিং এর মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের কাজ হয়ে থাকে যেমনঃ
  • অ্যাফিলিয়েন্ট মার্কেটিং
  • সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং
  • ইমেইল মার্কেটিং
  • এসইও
  • কনটেন্ট মার্কেটিং ইত্যাদি
ডিজিটাল মার্কেটিং এর জন্য আপনার উপরের যেকোনো এক বিষয়ে ভালো পরিমাণ দক্ষতা থাকলে আপনি মাসে ত্রিশ হাজার টাকা ঘরে বসেই আয় করতে পারবেন। বর্তমান বিশ্বের মার্কেটপ্লেস গুলোতে ডিজিটাল মার্কেটিং এর চাহিদা ব্যাপক রয়েছে। আর আপনি যদি এই ডিজিটাল মার্কেটিং শিখেন তাহলে আপনাকে আর বেকারত্ব ভাবে জীবন যাপন করতে হবে না। আপনি খুব সহজেই ডিজিটাল মার্কেটিং এর মাধ্যমে মাসে ৩০ হাজার টাকার অধিক করতে পারেন।

মাসে ৩০ হাজার টাকা আয় করার(১২-১৫)টি সহজ উপায়

যেমন অনলাইনে মাধ্যমে পাশে ৩০ হাজার টাকা আয় করা যায়, তেমনি অফলাইনের বিভিন্ মাধ্যম গুলো একটু অবলম্বন করলে পাশে ৩০ হাজার টাকা আয় করা সম্ভব হবে।

পার্ট টাইম ব্যবসাঃ চাকরি বা পড়াশোনার পাশাপাশি পার্টটাইম ব্যবসা করেও আপনার মাসে ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা আয় করতে পারেন। কিন্তু যে  ব্যবসা করবেন একটু ভেবে চিনতে করবেন। যেন সেটি উন্নত হয়। এবং যেখানে ব্যবসা করবেন সেই জায়গাটা সম্পর্কে দিক বিবেচনা করে ব্যবসা শুরু করবেন।

কবুতরঃ বাসায় কবুতর পালন করেও মাসে ৩০০০০ টাকা আয় করা যায়। অনেকেই আছে যারা শখের বসে কবুতর পালন করে। এবং সেই কবুতর পালন করে আছে লক্ষ টাকা আয় করতে সক্ষম হয়েছে। আমরা বিভিন্ন ইউটিউব ফেসবুক দেখতে পায় যে কবুতর পালন করে অনেকেই বেকারত্ব থেকে আজ বড় বড় ব্যবসায়ী। ঠিকমতো খাবার দিলে কবুতর খুব অল্প সময়ে ডিম বাচ্চা করতে থাকে। যার ফলে অল্প সময়ের মধ্যে মধ্যে অনেক কবুতর হয়। বর্তমানে অনেকেই কবুতর এর বাচ্চা খাবারের জন্য সংগ্রহ করে থাকে। কবুতরের বাচ্চা খেলে শরীরে অনেক প্রোটিন ও বিভিন্ন ঘাটতি পূর্ণ হয়। তাই বাজারে কবুতরের চাহিদা রয়েছে। তাই বলা যায়  বাড়িতে কবুতর পালন করেও মাসে প্রায় ৩০ হাজারেরও বেশি টাকা ইনকাম করা যায়।

পাখিঃ বাসায় পাখি পালন করেও মাসে ৩০০০০ টাকা আয় করা যায়। পাখিও মানুষের শখের। অনেকেই আছে যারা শখের বসে পাখি পালন করে থাকে নিজ বাসায়। বিভিন্ন ধরনের পাখি যেমনঃ বাজরিকা, ককাটেল, টিয়া ইত্যাদি। সব পাখি থেকেই ব্যবসা মাধ্যমে আয় করা যায়। তবে ব্যবসার ক্ষেত্রে বাজরিকা পাখি থেকে স্বল্প খরচে বেশি আয় করা সম্ভব হবে।

ব্রয়লার ও সোনালী মুরগিঃ বাসায় ব্রয়লার ও সোনালী মুরগি পালন করেও মাসে ৩০ হাজার টাকা আয় করা যায়। বর্তমান বাজারে প্রায় বয়লার মুরগি ও সোনালি মুরগির চাহিদা ব্যাপক রয়েছে। আর অনেকেই বয়লার ও সোনালি মুরগি বাসায় খামারের মতো করে পালন করে মাসে ৩০ হাজারেরও বেশি টাকা আয় করছে। তাই বাসায় বসে না থেকে বয়লার ও সোনালি মুরগি পালন করে মাসে ৩০ হাজার টাকা খুব সহজে আয় করতে পারেন।

মাসে ৩০ হাজার টাকা আয় করার(১৬-২০) টি সহজ উপায়

ছাগলঃ বাসায় এখন ছাগল পালনের মাধ্যমে মাসে ৩০ হাজার টাকা অধিক আয় করা সম্ভব হচ্ছে। বিভিন্ন গ্রাম অঞ্চলে প্রায় অনেকেই ছাগল লালন পালন করে থাকে। অনেক ফ্যামিলি আছে যারা ছাগল পালন করেই তাদের জীবিকা নির্বাহ করে। পাশাপাশি এখন শহরাঞ্চলেও অনেকেই শখের বসে ছাগল পালন করতে করতে অনেক বড় উদ্যোক্তা হয়েছেন। ছাগল পালন করেও মাসে ৩০০০০ টাকা আয় করা সম্ভব।

ভেড়াঃ বাসায় ভেড়া পালন করেও মাসে ৩০ হাজার টাকা আয় করা যায়। গ্রাম অঞ্চলে এই ভেড়ার চাহিদা ব্যাপক রয়েছে যার মাধ্যমে অনেকেই জীবন পরিচালনা করে। ভেড়ার খাবারেরও খুব একটা সমস্যা হয় না। তবে ভেড়া বাণিজ্যিক ভাবে বেশি করে পালন করতে হবে। তাহলে মাসে ৩০০০০ এরও বেশি টাকা ইনকাম করা যাবে।

হাঁসের খামারঃ বর্তমানে বাসায় বসে না থেকে বাসাতেই বা নিজস্ব কোন জায়গায় হাঁসের খামার দিয়ে হাঁসের মাধ্যমে মাসে ৩০ হাজার টাকা ইনকাম করা যায়। যেমন বাজারে হাঁসের ডিম এর চাহিদা ব্যাপক রয়েছে। বিক্রির মাধ্যমে মাসে ৩০ হাজার টাকা ইনকাম করা যায়। বা ডিম গুলো মাধ্যমে বাচ্চা ফুটিয়ে সেগুলো একটু বড় করে নিয়ে বিক্রি করেও মাসে ৩০০০০ টাকা ইনকাম করতে পারেন।

রেস্টুরেন্টঃ রেস্টুরেন্ট ব্যবসা করেও আসে ৩০০০০ টাকা ইনকাম করা যায়। বর্তমানে রেস্টুরেন্ট গুলোর চাহিদা রয়েছে। অনেকেই আছে যারা বিভিন্ন খাবারের জন্য বিভিন্ন রেস্টুরেন্টে গিয়ে থাকে। তবে আমাদের রেস্টুরেন্ট দেওয়া জন্য নির্দিষ্ট জায়গা প্রয়োজন। যেমন জায়গায় রেস্টুরেন্ট চলবে ঠিক তেমন জায়গায় রেস্টুরেন্টে দিতে হবে। রেস্টুরেন্ট সাধারণত কোনো প্রতিষ্ঠানের আশেপাশে দিলে বেশি বিক্রি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই রেস্টুরেন্ট দেয়ার আগে ভালোভাবে জায়গার দিক বিবেচনা ভেবে রেস্টুরেন্ট দিতে হবে। রেস্টুরেন্টের মাধ্যমে মাসে 30 হাজার টাকা অধিক আয় করা যায়।

কাপড়ের ব্যবসাঃ বর্তমানে বিশেষ করে মেয়েদের কাপড়ের প্রতি বেশি আকর্ষণ আছে। অনেকেই নিত্যনতুন দিনের জন্য নতুন নতুন কাপড় কিনে থাকে। মেয়েদের কাপড়ের চাহিদা বাজারে অনেক। তাই কাপড়ের ব্যবসাতে মাসে ৩০ হাজার টাকা আয় করা সম্ভব। অনেকেই কাপড়ের ব্যবসাতে খুব অল্প সময়ের মধ্যে অনেক লাভবান হয়েছেন।

মাসে ৩০০০০ টাকা আয় করা (২১-২৫) টি সহজ উপায়

টিউশনিঃ এখন বর্তমান বিশ্বে ডিজিটাল মার্কেটিং এর যেমন চাহিদা তেমনি এর কাজও বিভিন্ন ধরনের রয়েছে। যেমন ঘরে বসেই অনলাইনে মাধ্যমে টিউশনি করানো হয়। আর অনলাইনে টিউশনি করানোর মাসে ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা আয় করা সম্ভব।
কোচিং সেন্টারঃ বর্তমানে কোচিং সেন্টার এর পড়াশোনার জন্য বিপুল চাহিদা রয়েছে। তাই আপনি চাইলে কোচিং সেন্টার এর মাধ্যমে কোচিং করিয়ে মাসে ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা আয় করতে পারেন।

গরুঃ বাসায় গরু লালন পালনের মাধ্যমে মাসে ৩০ হাজার টাকার অধিক ইনকাম করা যায়। গরু খুব সহজ পদ্ধতিতে গরু পালন করা হয়। গ্রাম অঞ্চলে বেশিভাগ সব বাড়িতেই গরু পালন দেখা যায়। অনেকেই আছে যারা গরু পালন করে গরুর দুধ থেকে শুরু করে বাচ্চা বিক্রি করে মাসে ৩০ হাজার এরও বেশি ৫০-৬০ হাজার টাকা ইনকাম করে থাকে। শরীর ঠিক রাখার জন্য দুধের প্রয়োজন রয়েছে। দুধের চাহিদা অনেক বেশি তাই খুব সহজে মাসে ৩০০০০ টাকা গরু পালন করে ইনকাম করা যায়।

মুদি দোকানঃ বর্তমানে মুদি দোকানের মাধ্যমে মাসে ৩০ হাজার টাকা ইনকাম করা যায়। বর্তমানে নৃত্য প্রয়োজনেও বিভিন্ন জিনিসপত্রের জন্য মুদি দোকানের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। তাই খুব সহজেই মুদি দোকানের ব্যবসার মাধ্যমে মাছে ২০ হাজার টাকা আয় করা সম্ভব হয়।

ফাস্টফুডঃ বর্তমানে ফাস্টফুডের চাহিদা অনেক। ফাস্টফুড অনেক জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে বর্তমান ও প্রজন্মের কাছে। ফাস্ট ফুড এর মাধ্যমে মাসে ৩০ হাজার টাকা ইনকাম করা সম্ভব। তবে লক্ষ্য রাখতে হবে ফাস্টফুডের দোকান এমন জায়গায় দিতে হবে যেখানে বেচা বিক্রি বেশি হবে।

কফি শপঃ কফি শপ ও একটি জনপ্রিয় জায়গা জনগণের। কফি শপের ব্যবসা মাধ্যমে মাসে ত্রিশ হাজার টাকা ইনকাম খুব সহজেই করা যায়। লক্ষ্য রাখতে হবে যেন কফি শপের নামটা লোভনীয় ও ছোট হয়। মানুষের যাওয়ার জন্য আকর্ষণ বাড়ে তাহলে কফি শপ থেকে খুব অল্প সময়ে ৩০ হাজার টাকা ইনকাম করা সম্ভব হবে।

লেখক মন্তব্যঃ মাসে ৩০০০০ টাকা আয় করার-২৫ টি সেরা সহজ টিপস

মাসে ৩০ হাজার টাকা আয় করা প্রতিটি সেরা সহজ টিপ সম্পর্কে বিস্তারিত উপরে দেওয়া আছে। আপনি ওপরের বর্ণিত বিষয়গুলো থেকে ধারণা নিয়ে খুব সহজে মাসে ৩০০০০ টাকা ইনকাম করতে পারেন। উপরের বিষয়গুলো সঠিকভাবে বেছে নিয়ে কাজ শিখে ইনকাম শুরু করলে অবশ্যই আপনি ৩০ থেকে পঞ্চাশ হাজার এর অধিক ইনকাম করতে সক্ষম হবেন।
মাসে-৩০-হাজার-টাকা-আয়-করার
আশা করি উপরের বিষয় থেকে আপনি উপকৃত হবেন। আপনার উপরে কোন বিষয়টি ভালো লেগেছে তা সম্পর্কে একটি কমেন্ট করে যাবেন। আপনি যদি কোন বিষয় সম্পর্কে আরো বিস্তারিত জানতে চান তাহলে আমার যোগাযোগ পেজে মেসেজ বা কল করতে পারেন। এবং এই সকল আরো শিক্ষা নিয়েও বিষয় সম্পর্কে জানার জন্য আমার ওয়েবসাইটটি ভিজিট করুন। আর্টিকেলটি ভালো লাগলে আপনার বন্ধুর কাছে শেয়ার করবেন। এতক্ষণ মনোযোগ দিয়ে পড়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। 


এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url

Mst. Rubi Khatun
Mst. Rubi Khatun
একজন ডিজিটাল মার্কেটিং এক্সপার্ট গেনের বারি ওয়েবসাইটের এডমিন । তিনি অনলাইন ইনকাম, ব্লগিং, SEO ও টেকনোলজি নিয়ে নিয়মিত লেখালেখি করেন। ৫ বছরের অভিজ্ঞতায় তিনি শিক্ষার্থীদের অনলাইনে সফল হতে সহায়তা করে যাচ্ছেন।